ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় "রিমেল" সৃষ্টি হয়েছে। যার সম্ভাব্য গতিপথ বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর উপর দিয়ে। শ্যামনগর ও আশাশুনি খুবই হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে।নদীতে ২-৩ মিটার (৭-১০) ফুটের মতো জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। যা বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়েও প্রবেশ করতে পারে। আগামীকাল সকাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হতে পারে এবং ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ সন্ধ্যা (৬) ছয়টার পরে সাতক্ষীরা জেলার উপর দিয়ে প্রবেশ করবে,যা শেষ রাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের গতিবেগ ঘন্টায় ১০০-১২০ কিমিঃ ঘন্টায় এবং সর্বোচ্চ ১৪০ কিমিঃ ঘন্টায় বাহিত হতে পারে। সবাই নিরাপদ আশ্রয়স্থলে যাবেন এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও ওষুধপত্র সঙ্গে রাখবেন। সর্বোপরি মনে রাখবেন জীবন সবচেয়ে অমূল্যবান।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আগামী ২৫ মে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)। পরের দিন ২৬ মে (রোববার) সন্ধ্যায় ‘রেমাল’ ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। ওই সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানা শুরু করতে পারে ২৬ মে বিকাল ৫টা ৩০ মিনিট থেকে ২৭ মে রাত ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে। #ঘূর্ণিঝড় #রেমাল #জনপদ_সাতক্ষীরা